ঈগলের চোখ Pdf Download by শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় – Eagoler Chokh Pdf Download

eagoler chokh pdf download
  • বইয়ের নামঃ – Igoler Chokh ( ঈগলের চোখ )
  • প্রকাশকঃ পত্র ভারতী
  • লেখকঃ – Shirshendu Mukhopadhyay ( শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় )
  • ধরণঃ উপন্যাস
  • File format- PDF
  • Book Size – 5.40 MB
  • Book Page – 21
  • প্রকাশকালঃ ২০১৭ (৩য় মুদ্রণ)

বই রিভিউ :

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ১৯৩৫ সালের ২রা নভেম্বর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের টালমাটাল সময়ে পরিবারসমেত কলকাতা পাড়ি জমান। বাবার চাকরির সুবাদে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শৈশব কেটেছে তার। কোচবিহার বোর্ডিং স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করেন তিনি। মাধ্যমিক পাস করেন কোচবিহার ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে। পরে কলকাতা কলেজ থেকে বিএ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। শীর্ষেন্দু তার পেশাজীবন শুরু করেন শিক্ষকতার মাধ্যমে।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ছোটবেলা থেকেই ভীষণ বইপড়ুয়া ছিলেন। হাতের কাছে যা পেতেন তা-ই পড়তেন। খুব ছোটবেলাতেই তিনি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মানিক বন্দোপাধ্যায়, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় এর মতো লেখকদের রচনাবলী পড়ে শেষ করেছেন। এই পড়ার অভ্যাসই তার লেখক সত্ত্বাকে জাগিয়ে তোলে। ১৯৫৯ সালে দেশ পত্রিকায় তার প্রথম গল্প ‘জলতরঙ্গ’ প্রকাশিত হয়। দীর্ঘ ৭ বছর পর দেশ পত্রিকাতেই প্রকাশিত হয় তার প্রথম উপন্যাস ‘ঘুণপোকা’। এরপর থেকেই নিয়মিত লিখতে থাকেন তিনি। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর বই এর সংখ্যা দু’শতাধিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস পার্থিব, দূরবীন, মানবজমিন, গয়নার বাক্স, যাও পাখি, পারাপার ইত্যাদি। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর রহস্য সমগ্র রহস্যপ্রেমীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রায় ৪০ এর অধিক রহস্য গল্প প্রকাশিত হয়েছে ‘অদ্ভুতুরে সিরিজ’ নামকরণে।

“ঈগলের চোখ” লেখকের শবর দাশগুপ্ত চরিত্রের কাহিনি। শবর দাশগুপ্ত বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র। পেশায় তিনি পুলিশের গোয়েন্দা।
বিষান রায়ের ফ্ল্যাটে খুন হয় বিষাণ রায়ের স্ত্রী শিবাঙ্গী রায়ের বন্ধু নন্দিনী এবং শিবাঙ্গী রায়কেও খুনের চেষ্টা করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহের কাটা ঘুরে বিষাণের উপর। কিন্তু বোহেমিয়ান জীবন কাটানো বিষাণকে অপরাধী হিসেবে মেনে নিতে সামান্য খটকা লাগে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তার। তিনি কেইস সলভ করতে সাহায্য নেন গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্তের।
বিষাণকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে কাহিনির শুরু। ধীরে ধীরে উঠে আসে অন্য একটি নারী চরিত্র- জাহ্নবী। বয়সে বেশ ছোট এই মেয়েটিকে খুব আদর যত্নেই নিজের কাছে রেখেছিলেন শিবাঙ্গী।
শিবাঙ্গী-নন্দিনী-জাহ্নবী তিনজনই আকৃষ্ট বিষাণের প্রতি। তাহলে নন্দিনীকে খুনটা করল কে? আর শিবাঙ্গীর উপরই কেন হামলা হল?
রহস্য উন্মোচন যতটা সহজ মনে হয়েছিল কাহিনির শেষের দিকে গিয়ে মনে হয় এতোও সহজ নয়।
এই কাহিনিকে অবলম্বন করে অরিন্দম শীলের পরিচালনায় ২০১৬ সালে মুক্তি পায় চলচ্চিত্র “ঈগলের চোখ”। চলচ্চিত্রে গোয়েন্দা শবরের ভূমিকায় অভিনয় করে আগের বারের মতোই তাক লাগিয়ে দেন অভিনেতা শাশ্বত চ্যাটার্জি। তাছাড়াও বিষাণের চরিত্রে অভিনয় করেন আরেক বিখ্যাত অভিনেতা, অনির্বাণ ভট্টাচার্য। শিবাঙ্গীর চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়িকা জয়া আহসানকে।
শবরের গল্পগুলোর মাঝে এটা আমার পড়া দ্বিতীয় বই। এবং এ কাহিনিও আমাকে বরাবরের মতোই মুগ্ধ করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.